কেন কীওয়ার্ড রিসার্চ করা জরুরী?

SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
SEO টিউটোরিয়াল A to Z
Basic-Keyword-Researchএকটি সাইট বানাবেন কিসের জন্য? গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে আয় করার জন্য? এফিলিয়েশন এর মাধ্যমে ebay কিংবা amazon এর পণ্য বিক্রয় করার জন্য কিংবা অনলাইনে খেলা বিক্রয় করার জন্য? অথবা নিজের পণ্য/সেবা সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেত্তয়ার জন্য? যে কোন কারণেই আপনি একটি সাইট তৈরি করতে পারেন। অনেকে ডোমেইন-হোস্টিং নিয়ে তারপরে ভাবেন এই সাইট কি করা যায়। অথচ একটি সাইট তৈরির বহু আগে থেকেই সেই সাইটের জন্য চিন্তা ভাবনা করতে হয়। শুধু মনে এল আর হুট হাট করেই ডোমেইন নিয়ে নিলাম তা হবে না। ডোমেইন ছাড়াত্ত আপনি ফ্রি যেমন blogger.com এর মাধ্যমে সাইট তৈরি করতে পারেন।
তবে এখানে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই SEO নিয়ে ভাবতে হবে। কীত্তয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে আপনার সাইটের বিষয়টির কতটুকু চাহিদা রয়েছে সেটি জানতে হবে। আর একটি সাইটের প্রাণ হল সেই সাইটের ভিজিটর। ভিজিটর না এসে সাইট শুধু বানিয়ে বসে থাকলে কোন মূল্য নেই। আর আজকাল একটি সাইট মান ইজ্জতের ব্যাপার। সেটি কোন প্রতিষ্ঠান হোক কিংবা নিজস্ব হোক।
আপনি যদি যে কোন প্রয়োজনে সাইট তৈরি করুন না কেন আপনার সাইটের জন্য keyword research করতে হবে। এজন্য আপনি গুগলের টুলস ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যত বেশি keyword research এ দক্ষ হবেন এতে করে অনলাইনে আপনার সাইটের SEO করতে তত বেশি সুবিধা হবে। সহজেই প্রতিদ্বন্দ্বী সাইটকে পিছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন। সেটি যে কোন ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হোক না কেন।
• adwords.google.com/select/KeywordToolExternal
• tools.seobook.com/keyword-list/generator.php
• freekeywords.wordtracker.com/
• www.goodkeywords.com/good-keywords/
• webconfs.com/keyword-playground.php
গুগলের পাশাপাশি অন্যান্য সাইট ব্যবহার করেত্ত keyword research রিসার্চ করতে পারেন। সময় দিয়ে keyword research করুন। টেকটিউনস কীত্তয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে দুই পর্ব লিখেছেন সজীব রহমান। সেখানে বিস্তারিত পাবেন।
• কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ ১ম অংশ ।”SEO টিউটোরিয়াল” [পর্ব-৩]
• কী-ওয়ার্ডের সঠিক ব্যবহার ও বাছাইকরণ ২য় অংশ ।”SEO টিউটোরিয়াল” [পর্ব-৪]
সফলতা আপনার হাতের মুঠোয় ধরা দেবেই।
ধারাবাহিক ভাবে জানতে হলে অবশ্যই আগের দুইটি চেইন টিউন একবার দেখে নিবেন সবাই।
• SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
• SEO টিউটোরিয়াল A to Z

 

এসইও কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ!

এসইও (SEO) কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ!

seo• SEO কিঃ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে ধারাবাহিক পরিবর্তনের মধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের উন্নতি সাধন করা। এই পরিবর্তনগুলো হয়তো আলাদা ভাবে চোখে পড়বে না কিন্তু সামগ্রিকভাবে এর মাধ্যমে একটি সাইটের ব্রাউজিং এর স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বেড়ে যায় এবং অর্গানিক বা স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টে সাইটকে শীর্ষ অবস্থানের দিকে নিয়ে যায়। সাবাই চায় তার ব্লগ বা ওয়েব সাইট গুগল কিংবা বিং-য়ের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP)-এর সবচেয়ে উপরের দিকে রাখতে। আর এই জন্যই ইফেক্টিভ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করতে হয় যেন সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইট বা এর কনটেন্টকে গুলোকে দ্রুত খুঁজে পায় এবং সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেইজ (SERP) এর প্রথমদিকে প্রদর্শন করতে পারে।
• কেন শিখবেন SEO:
SEO, এস.ই.ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। ২০১২ তে বাংলাদেশ এই SEO এর উপর কাজ করে ফ্রিলেন্সার.কম এ বিশ্বের মধ্যে প্রথম হয়েছে এবং অনলাইন মার্কেট প্লেসে যতগুলা কাজ রয়েছে তার মধ্যে এই SEO এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের ফ্রিলেন্সাররা সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। আরও মজার হচ্ছে অনলাইন জুরে শুধুমাত্র SEO এর কাজই ৬৫% থেকে ৭০%। তাই অনলাইন মার্কেট নিয়ে এসইও-এর ব্যাপারে আশা করি এর বেশী কিছুই বলার প্রয়োজন নেই।
• SEO শিখতে কি প্রয়োজনঃ
আপনিও হয়ে উঠতে পারেন একজন আদর্শ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অ্যাডইজার বা SEO এক্সপার্ট। এস.ই.ও. এক্সপার্ট হতে আপনার কোন প্রকার অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। শুধুই প্রয়োজন গাইড লাইন আর ধারাবাহিক প্রচেস্টা।
• বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎঃ
অনলাইন মার্কেটপ্লেস আর আনতর্জাতিক মার্কেটে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদার কথা অনেক হয়েছে এবার আসুন, ছোট একটা উধাহরনের মাধ্যমেই দেখেনিই বাংলাদেশে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদা। অনেকই হয়ত বা ভাবে আমাদের দেশে SEO নিয়ে এখন পর্যন্ত খুব বেশি কাজের ক্ষেত্র নেই। কিন্তু একটু ক্ষেয়াল করে দেখেন বিক্রয়.কম যারা শুধুমাত্র তেদের সাইটের প্রচারের জন্য প্রতিদিন লক্ষ টাকা ব্যায় করছে। কারন আমরা জানি এই প্রচারই হচ্ছে প্রসার, আর প্রচার কেই আমরা বলতে পারি সহজ ভাবে বলতে পারি SEO! অর্থাৎ এই SEO এর জন্য বর্তামানে বাংলাদেশে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা লক্ষ টাকা ব্যায় করতে প্রস্তুত। ফলে একটু ক্ষেয়াল করলেই বুঝা যাচ্ছে SEO এক্সপার্ট-এর চাহিদা আমাদের দেশেও দিন দিন বাড়ছে।
আরেকটি উদাহরন দেই, বাংলাদেশে ঠিক কতগুলা অনলাইন নিউজ মাধ্যমের নামের মধ্যে “…news24″ আছে আপনি কি জানেন? কমকরে হলেও ২৭-৩০ টার অধিক! এতো গেলো “…news24″ এর গল্প এবার আসেন “….bd” আছে এমন সাইটের অনলাইন নিউজ মাধ্যমের সংখ্যা তহলে কত হবে? কেন তুলে আনছি এই “…news24″ এর গল্প? ধরেন না গতকাল আপনি হটাৎ একটি “…নিউজ২৪”-এ ফটাৎ করে ঢুকে পরছেন কিন্তু আজ বসে সেই “…নিউজ২৪” আর পাচ্ছেন না, গুগোল মামা বারবার চলে যাচ্ছে অন্য “…নিউজ২৪”এ? এর মুল কারনই হচ্ছে ফটাৎ করে ঢুকে পরা গতকালকের “…নিউজ২৪” এর চেয়ে আজকের বারবার চলে আসা “…নিউজ২৪” টি SEO-এর দিকে বেশি গুরত্ত দিয়েছেন। অর্থাৎ বাকিরাও খুব দ্রুতই SEO-এর উপর গুরত্ত দিবে এবং একজন এস.ই.ও. SEO এক্সপার্ট খুঁজবে। অর্থাৎ বাংলাদেশে বড় আঁকারে SEO অ্যাডইজার, স্পেশালিষ্ট, এক্সপার্ট যাই বলেন না কেন এর প্রয়োজন দেখা দিবে।
○ SEO এক্সপার্ট হতে কি কি জানতে হবেঃ
• এসইও কি, এসইও কতপ্রকার?
• কী ওয়ার্ড রিসার্চ কি, কিভাবে বের করবেন ফোকাস কী-ওয়ার্ড।
• অন পেজ অপটিমাইজেশন এর সকল খুঁটিনাটি বিষয়।
• মেটা ট্যাগ এক্সপেরিমেন্ট, টাইটেল।
• কন্টেন্ট রাইটিং মেথর্ড, কী-ওয়ার্ড রিপ্লেসমেন্ট, সাইট ম্যাপ।
• সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী সাইট মেকিং, ওয়েবসাইট এসইও স্ট্রাকচার মেকিং ।
• অফ পেজ এর বিভিন্ন কলাকৌশল।
• সকল প্রয়োজনীয় টুলস (গুগল এনালাইটিক্স) এর ব্যবহার।
• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক, Web 2.0 তৈরি ।
• ফোরাম ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং।
• আর.এস.এস সাবমিশন, প্রেস রিলিজ সাবমিশন, ডিরেক্টরি সাবমিশন।
• লিংক হুইল, গেস্ট ব্লগিং, , আর্টিকেল মার্কেটিং।
• বেস্ট ব্যাকলিংক ফাইন্ডিং টেকনিক, Web 2.0 তৈরি।
• পীড়ামিড লিংক (সদ্য আবিষ্কৃত SEO টেকনিক! )।SEO কি, কেন শিখবেন এবং বাংলাদেশে এর ভবিষ্যৎ! (+ফ্রী কিছু ই-বুক)
• ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগার ওয়েবসাইট এর সকল এসইও প্লাগিন এর ব্যবহার।
• ভিবন্ন ওয়েব অ্যানালাইজার সেট-আপ এবং মেইনটেন করা।
• এসইও টাইটেল ট্যাগ, এসইও মেটাট্যাগ, এসইও এংকরট্যাগ।
• সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে ওয়েবসাইটের URL রেজিট্রেশন করা।
• গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস বানানো এবং এর ব্যবহার পদ্দতি।
• ইমেজ/ছবি, ভিডিও বা অডিও সার্চের জন্য আলাদা SEO টিপস।
• অ্যালেক্সা টুলবার, লিংক, র‍্যাংক সহ ইত্যাদি বিষয়।

 

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য তিনটি ধাপ সম্পর্কে অবশ্যই জেনে নিন

web-designer-cartoonএকটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য মূলত তিনটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমে নিজের পছন্দসই একটি ডোমেইন নাম কেনা, এরপর তথ্যগুলো অনলাইনে আপলোড করে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার জন্য হোস্টিং কেনা এবং সর্বশেষ ব্রাউজার পড়তে পারে এমন ভাষায় কনটেন্টগুলোকে তুলে ধরা।’ জানালেন ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান এবিএইচ ওয়ার্ল্ডের প্রধান নির্বাহী আবু হুরাইরা ফয়সাল। তিনি জানান, ওয়েবসাইট এখন প্রতিটি প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যাক্তির জন্যও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে দ্রুত সময়ে বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে তথ্য পৌছে দেয়ার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম এখন এটি। আর তাইতো প্রতিটি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ছোট প্রতিষ্ঠানেরও ওয়েবসাইট তৈরির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। উন্নত দেশগুলোতে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে অনেক আগেই ওয়েবসাইট প্রথা শুরু হলেও আমাদের দেশ এ দিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে। তবে ইতিমধ্যে ছোট প্রতিষ্ঠান এমনকি ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরির উদ্যোগও আমাদের দেশে শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডোমেইন নাম নির্বাচন

একটি প্রতিষ্ঠান বা ব্যাক্তির ওয়েবসাইট তৈরিতে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো ডোমেইন নাম নির্বাচন করা। ‘ধরুণ আপনার অফিসে কারো আসা দরকার। এক্ষেত্রে উনাকে অবশ্যই আপনার অফিসের ঠিকানা জানতে হবে। নতুবা উনি আসতে পারবেন না। ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামও এই অফিসের ঠিকানার মতোই। কেউ যদি আপনার অফিসের তথ্যাবলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে চায় তবে তাকে আপনার অফিসের ওয়েবসাইটটির ঠিকানা ধরে আসতে হবে। আর ওয়েবসাইটের এ ঠিকানাটিই মূলত আপনার ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন নাম। সাধারণত এটি প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিল রেখে কিনে থাকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।’ জানালেন ডোমেইন এবং হোস্টিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইনক্রেডিবল ল্যাবের প্রধান নির্বাহী ইমতিয়াজ মাহমুদ। যেমন প্রিয়’র ওয়েবসাইটের ঠিকানা: priyo.com – এ নামটিই মূলত একটি ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম। ডোমেইন নামের মধ্যেও বেশকিছু ভাগ রয়েছে। যেমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ডোমেইন নাম সাধারণত ডটকম দিয়ে শেষ হয়(যেমন microsoft.com)। আবার সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট সাধারণত ডট ওআরজি (যেমন: un.org) দিয়ে শেষ হয়। তবে ইন্টারনেটে ডটকম ডোমেইন ই সবচেয়ে জনপ্রিয়।

ইমতিয়াজ মাহমুদ জানান, তবে ডোমেইন কেনার সময় ব্যবহারকারীর পছন্দই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ডোমেইন নাম ছোট এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা উচিৎ। এতে করে ভিজিটররা প্রতিষ্ঠানের নাম মনে করেই ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারবে।

ওয়েব হোস্টিং

ওয়েবসাইটের ডোমেইন নেম কেনার পরেই যে বিষয়টি আসে সেটি হলো ওয়েব হোস্টিং। ওয়েব হোস্টিং মূলত অনলাইনে ব্যবহারকারীর কনটেন্ট আপলোড করার সার্ভার। এ সার্ভারেই ওয়েবসাইটের মালিককে বিভিন্ন তথ্য আপলোড করতে হয় এবং এখান থেকেই ভিজিটররা সেসব তথ্য দেখতে পারেন। ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামকে যদি একটি অফিসের ঠিকানা হিসাবে ধরা হয় তবে হোস্টিং হচ্ছে প্রতিষ্ঠানের অফিস বিল্ডিং, রুম, আসবাব পত্র সহ অন্যান্য জিনিসপত্র। এক্ষেত্রে একজন ওয়েবসাইটের মালিক যত মেগাবাইট ওয়েব হোস্টিং কিনবেন তিনি কেবল ততটুকই তথ্য আপলোড করতে পারবেন। এটি অনেকটাই এরকম- একজন ব্যবসায়ী যতবড় গোডাউন ভাড়া নিচ্ছেন ততটুকুই কেবল মালামাল রাখার সুযোগ পাচ্ছেন। ওয়েব হোস্টিং বিভিন্ন কোয়ালিটির হয়ে থাকে। আবু হুরাইরা ফয়সাল জানান, হোস্টিং সেবা প্রোভাইডারের ‘সার্ভার কোর’এবং অন্যান্য কনফিগারেশন-এর উপর নির্ভর করে উক্ত প্রতিষ্ঠানের হোস্টিং কতটুকু মান সম্পন্ন।

ওয়েবসাইট ডিজাইন

ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম এবং হোস্টিং কেনার পর ওয়েবসাইট তৈরির পরবর্তী ধাপ হলো ওয়েবসাইটটি ডিজাইন করা। ব্যবহারকারীর রুচি অনুযায়ী সাধারণত ওয়েবসাইট ডিজাইন করে থাকেন ডিজাইনার-রা। আর যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড কালার আছে তারা সেসব রঙ্গেই রাঙ্গিয়ে থাকে ওয়েবসাইটগুলোকে। ওয়েবের লগো হিসাবে নিজেদের ব্র্যান্ড লগোই সাধারণত ব্যবহার করা হয় এসব ক্ষেত্রে। সব ওয়েবসাইট ডিজাইনিং এবং ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান সাধারণত এসব সাইট গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী তৈরি করে থাকে। স্বাধীন (ফ্রিল্যান্স) ওয়েবসাইট ডেভেলপার ইউনুস হোসেন জানান, যারা কম বাজেটের মধ্যে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তারা ওয়ার্ডপ্রেস এবং জুমলা সহ ওপেনসোর্স কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস ব্যবহার করতে পারেন। আর ওয়েবসাইট ডিজাইনের আগে অবশ্যই ডেভেলপারকে আপনার চাহিদাগুলো ভালোভাবে বলতে হবে। তাহলে ডেভেলপারই নিজ থেকে পছন্দ করে নিতে পারবে উপযুক্ত ওয়েবসাইট প্লাটফর্মটি।

সেবা দেয় যারা

ইন্টারনেটে ডোমেইন নাম নিয়ন্ত্রন করে ইন্টারনেট কর্পোরেশন ফর অ্যাসাইন নেমস এন্ড নাম্বারস বা আইসিএএনএন নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন সাপেক্ষেই বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠান ডোমেইন নাম নিবন্ধণ করতে পারে। এর মধ্যে গোড্যাডিনেটওয়ার্ক সল্যুশন এবং নেমচিপ আমাদের দেশে সবচেয়ে আলোচিত। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে যেকেউ অনলাইনে ডোমেইন কিনতে পারেন। ডোমেইন বিক্রি করার পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠানগুলো হোস্টিং সেবাও প্রদান করে। তাই এদের কাছ থেকেই হোস্টিং নেয়া যেতে পারে। ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী এদের বিভিন্ন ধরণের হোস্টিং প্যাকেজ রয়েছে। তবে সরাসরি ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কেনার চেয়ে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই ডোমেইন হোস্টিং কেনার পরামর্শ অধিকাংশ ওয়েব ডেভেলপারের। তাদের মতে, কোন ধরণের সমস্যায় পড়লে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধান করার সুযোগ থাকেনা। একটি নির্দিষ্ট মাধ্যম দিয়েই কেবল তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়, যা বেশ সময় সাপেক্ষ। অনেক সময় ওয়েবসাইটের মালিক এসব প্রতিষ্ঠানের সাপোর্ট টিমকে বোঝাতেই পারেন না ওয়েবসাইটটির প্রকৃত সমস্যা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকেই বরং ভালো সেবা পাওয়া যায়। বাংলাদেশী অনেক প্রতিষ্ঠানই বড় বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ডোমেইন রিসেলার হিসাবে ডোমেইন নাম বিক্রি করে থাকে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই এসব প্রতিষ্ঠানের হোস্টিং সেবাও রিসেলার হিসাবে বিক্রি করে। অনেক প্রতিষ্ঠানেরই আবার যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে নিজস্ব সার্ভার রয়েছে। তবে যে প্রতিষ্ঠান থেকেই কিনুন না কেন, ইন্টারনেটে উক্ত প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকসেবা সংক্রান্ত তথ্য ও রিভিউ দেখে নিবেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন হোস্টিং ফোরামের পাশাপাশি এখন বাংলা ভাষায়ও হোস্টিং সংক্রান্ত আলাপ আলোচনা করার ফোরাম রয়েছে। সেখানেও আলোচনা করে পছন্দের প্রতিষ্ঠান থেকে হোস্টিং কিনতে পারেন।