বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে গবাদি পশু কিনে আসামী হলেন প্রবাসী !




বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :::
বিশ্বনাথে একটি গরু খরিদ করে চরম বিপাকে পড়েছেন প্রবাস ফেরত এক ব্যক্তি। এটি নিজের হারানো গরু, মর্মে গ্রামের অন্যজন দাবী করলে তিনি বিক্রেতাকে হাজির করেন। তবুও অহেতুক দফায় দফায় হয়রানি করা হচ্ছে প্রবাসীকে। বিক্রেতা ও গরুর মালিক দাবীদার বৈঠকও করেন একত্রে। এরপর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও মুরব্বিদের নিয়ে বৈঠকেও হয় দু’টি। এরপরেও দাবীদার প্রবাস ফেরত ওই ক্রেতাকে জড়িয়ে থানায় মিথ্যে অভিযোগ দেন। এঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
সূত্র জানায়, গেল নভেম্বরের ৫ তারিখ শখের বসে একটি গরু খরিদ করেন পর্তুগাল ফেরত, উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের রায়কেলী গ্রামের উসমান আহমদ। দীর্ঘ ৬ মাস তিনি এটিকে লালন-পালন করেন। এক পর্যায়ে গ্রামের মৃত গেদা মিয়ার ছেলে রায়হান আহমদ ওরফে কফিল ওই গরুটি নিজের হারানো গরু বলে দাবী করেন। পরে তিনি গরু বিক্রেতা একই ইউনিয়নের বাউসী গ্রামের মৃত সুরুজ আলীর ছেলে আজির উদ্দিনকে হাজির করেন। পরে আজির উদ্দিন ও কফিল একত্রে বৈঠকে বসেন। তাদের মধ্যে বিষয়টি সুরাহা না হওয়ায়, বাউসী গ্রামে উভয় পক্ষ নিয়ে প্রথম বৈঠক ডাকা হয়। ওই বৈঠকে অংশ নেননি কপিল। এ বিষয়ে পরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে, কপিল বিচার চাইলে, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তার বাড়ীতে বৈঠক আহবান করেন। ওই বেঠকেও স্বয়ং বিচারপ্রার্থী কপিল অনুপস্থিত থাকায় বৈঠক থেকে মুরব্বিরা ‘ উপযুক্ত প্রমাণাদি না থাকায় ও বিচারে উপস্থিত না হওয়ায়, ক্রেতা ও বিক্রেতাই সঠিক’ মর্মে কপিরের বিরুদ্ধে রায় দেন। এদিকে এ ঘটনায় কপিল বিশ^নাথ থানায় প্রবাসী উসমান ও গরুর সঠিক বিক্রেতা আজির উদ্দিনসহ চারজনকে আসামি করে মিথ্যে মামলা দায়ের করে।
দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমাদউদ্দিন খান বলেন, গরুর মালিক দাবীদার রায়হান আহমদ ওরফে কফিল বিচার চেয়ে আমাদের দারস্থ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে নির্ধারিত বৈঠকে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ সে নিজেই উপস্থিত হয়নি। এতে প্রমাণ হয় তার মালিকানা দাবী করা সঠিক নয়।
বিশ^নাথ পুলিশ স্টেশনের এসআই অরূপ সাগর গুপ্ত কমল বলেন, এ বিষয়ে একটি মামলা নেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  •