বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আমি প্রকৃত মৎস্যজীবি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে- কানু বিশ্বাস



সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়া এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশন এর ডাম্পি গ্রাউন্ডস নিয়ে গত ১১ অক্টোবর সিলেটের স্থানীয় কয়েকটি দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছিটা গোটাটিকর এলাকার নরিন্দ বিশ্বাসের ছেলে কানু বিশ্বাস ও হবিগঞ্জ জেলার বর্তমানে দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর এলাকার মৃত হাতিম উল্লাহর ছেলে মিলন মিয়া।

 

প্রতিবাদ লিপিতে তারা বলেন, এলাকার কথিপয় ব্যক্তিরা গণমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, ‘‘সিলেট সিটি করপোরেশন এর লালমাটিয়ার ডাম্পিং গ্রাউন্ড হতে কানু বিশ্বাস ও মিলন মিয়া উভয়ে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় ডাম্পিং এলাকা থেকে মৎস্য খামারের জন্য বিস্কুট সংগ্রহের নামে পঁচা, বাসি, বিস্কুট ও নানা রকম খাদ্য যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর সেগুলো ডাম্পিং থেকে নিয়ে নগরীর কালিঘাটের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করেন’’ প্রকাশিত সংবাদের এ তথ্যগুলো সম্পূর্নরূপে মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিত।

 

কানু বিশ্বাস ও মিলন মিয়া বলেন, চলতি বছরের ০৪/০৫/২০২১ইং তারিখে তাদের জোনাকী মৎস্য খামারের নামে সিলেট সিটি করপোরেশন এর মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বরাবর লিখিত আবেদনের মাধ্যমে ডাম্পি গ্রাউন্ডস হতে মৎস্য খাবারের জন্য বিস্কুট এর গুড়া সংগ্রহের জন্য এককালীন ৫০ হাজার টাকা সিটি করপোরেশনের ফান্ডে প্রদান করেন। ৫০ হাজার টাকা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিমাসে সিটি করপোরেশনের ফান্ডে ৮ হাজার টাকা প্রদান করে আসছেন।

 

কানু বিশ্বাস বলেন, তিনি একজন সরকারী নিবন্ধিত তালিকাভূক্ত প্রকৃত মৎস্যজীবি । মাছের ফিড ( মৎস্য খাবার) সংগ্রহের জন্য তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের সকল নিয়মনীতি মেনে ডাম্পি গ্রাউন্ডস হতে মৎস্য খাবারের জন্য বিস্কুট এর গুড়া সংগ্রহ করেন। কানু বিশ্বাস ও মিলন মিয়া দুজনেই একত্রে মাছের খাবার সংগ্রহ করলেও কয়েকজন সুবিধাভোগী ব্যক্তি তাদের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে।

চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় অসৎ উদ্দেশ্যে কানু বিশ্বাস ও মিলন মিয়াকে নাজেহাল করার জন্য গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার ও প্রকাশ করিয়েছে। যা ভিক্তিহীন ও বানোয়াট।

প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান কানু বিশ্বাস ও মিলন মিয়া। প্রেস-বিজ্ঞপ্তি

  •